বেবি অন বোর্ড

কিন্তু তারপরেই টনক নড়ল যখন ওই ভিড়ের মধ্যেই সামনের সিটে বসে থাকা আরেক ব্রিটিশ ভদ্রমহিলা নিজের সিট থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আমার সামনে দাঁড়ানো ব্যাজ পরিহিতাকে হাত নেড়ে বসার জন্য ডাকলেন। ইনিও থ্যাঙ্ক ইউ বলে আস্তে আস্তে ভিড় ঠেলে গিয়ে বসলেন সেই সিটে।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds

ফুলঝুরি

সন্ধেবেলা অন্ধকার ঘনিয়ে আসতেই আমাদের ছাদে হল প্রথম টেস্টিং। আশেপাশের ছাদে পানতুবড়ির ভুসসস করে আওয়াজ শুনে ঘাড় ঘোরাতে গিয়েই দেখছি ছাদ অন্ধকার, মানে তুবড়ি খতম। পাঁচিলে বসিয়ে তিনবন্ধু একটাই ফুলঝুরিকে ধরিয়ে শুভ উদ্বোধন করলাম আমাদের স্বরচিত প্রথম তুবড়ির।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds

নতুন জুতা

– তুমার কনও গ্য়িয়ান যে কবে হবেক কে জানে! – ক্যানে? কী হইছে? – মাঝরাত পেরায়ে গ্যাছে সে খেয়াল আছে তুমার, নাকি কলকেতা যেয়ে সিটাও ভুলছ? – শুনঅ ত আগে। […]

বইপড়া – শারদীয়া_দেশ_১৪২৫- পূজাবার্ষিকী_গল্প

রমণী ও ব্যায়ামবীর – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় প্রথম গল্প শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এবং একে যদি শারদীয়া দেশের গল্প বিভাগের টোন–সেটার হিসেবে দেখা হয় তাহলে নির্দ্বিধায় বলা চলে উপন্যাস থেকে গল্পে ফিরে এসে […]

পাণ্ডুলিপি

– টেবলটা ওইদিকে। বইমেলায় রিলিজ করতে হলে আর দেরী করলে চলে নাকি মশাই!
– মুন্সীবাবু, এইবারটা থাক। বই করার দরকার নেই।
– অ্যাঁ! বই থাক! কী বললেন?
– আজ্ঞে, আপনার শ্রবণশক্তি লাজবাব।

লেখক ~ সপ্তর্ষি বোস
#AnariMinds

প্রবাসী বাঙালির রোজনামচা

লোকজনকে গালি দেওয়া হেব্বি সহজ জানেন তো দাদা, খালি নিজের ওপরে যে যখন পড়ে, তখনই ফেটে চৌচির হয় আর কি….তো এরকমই ফাটা চৌচির দিল কে টুকরো সে নিকলা চান্দ্ আলফাজ…

লেখক ~ ছন্দক চক্রবর্তী
#AnariMinds

ভূমি

এলাকার প্রজন্মের পর প্রজন্মের শিশুকিশোরদের বুড়ির পেছন পেছন ছড়া কাটতে কাটতে যাওয়ার মতো ফ্রিএর বিনোদন আর নেই বললেই চলে। আস্ত শরীরটা কিছুক্ষণ উত্তক্ত করলেই দেখতে পাওয়া যায়। কুঁচকে, চিমড়ে যাওয়া হাড্ডিসার দেহের মধ্যে আঁটোসাটো বুকজোড়া বেমানানরকমের পুষ্ট।

লেখিকা ~ শিল্পী দত্ত
#AnariMinds

ভোকাট্টা

ছোটবেলাতেও আমাদের হাতে থাকত রিমোট, আর আকাশে উড়ত ড্রোন। তফাৎ শুধু একটাই ছিল। আকাশের সেই ড্রোন আর হাতের রিমোটের মধ্যে সংযোগসূত্রটা অদৃশ্য ছিল না। বেশ ভালোই চোখে পড়ত লাল বা নীল রঙের মাঞ্জা সুতো।

লেখা ও প্রচ্ছদ ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds

ছোট্ট একটা শহর মাত্র

সে শহরে গরমকালের দুপুরে দিব্য হত লোডশেডিং। আর হাতপাখাতে ঘাম শুকিয়ে নিয়ে মা বসে যেত বেল ছাড়াতে। নিত্যিপুজোর বামুনঠাকুর ইন্দ্রদা আসত রঘুনাথকে সেই শরবত খাওয়াতে। আর ভোগের বাকিটা ছোট্ট ছেলের ইয়াব্বড়ো স্টিলের ঘটিতে।

লেখা ~ সপ্তর্ষি বোস
#AnariMinds