হায়রোগ্লিফের দেশে- ৮ / খুফুর নৌকা

Anirban & Arijit, History, বাংলা, হায়রোগ্লিফের দেশে

 

 

কালকে কলেজে প্যাথলজির লেকচার ক্লাস চলছিল। আমি আর পিজি শেষের দিকে একটা বেঞ্চে বসেছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ্য করছিলাম ব্যাটা মোবাইলে কি একটা খুটখুট করছে, ক্লাসে মন নেই। ছুটির পরে বুঝলাম কারণটা।

– ভবেশদাকে প্যাঁচে ফেলার মতো একটা জিনিস পেয়েছি বুঝলি।

– ভবেশদাকে? কি সেটা?

– হুঁ হুঁ বাবা, ও কি ভাবে? ও মিশরের ইতিহাসের সব কিছু জানে? এমন একটা জিনিসের ব্যাপারে আজকে নেটে পড়লাম না যেটা কোন বাংলা বইতে লেখা নেই। আজ সন্ধ্যেবেলায় চল ভবেশদার দোকানে। লোকটার নলেজের একটা অ্যাসিড টেস্ট হবে।

পিজি একরকম টেনে নিয়েই গেল আমাকে ভবেশদার দোকানে। তখন ঘড়িতে বাজে সাড়ে ছ’টা।

– কি ব্যাপার হে মানিকজোড়? আজকে আবার গল্প শুনতে নাকি?

পিজি বেশ গম্ভীর মুখ করে বলল,

– ভবেশদা, খুফুর নৌকা নিয়ে কিছু বলতে পারবেন? না মানে, আমি একটু রিসার্চ করছিলাম নেটে..

আমি ভাবলাম খুফুর নৌকা? সেটা আবার কি জিনিসরে বাবা। ফারাও খুফুর নৌকা থাকতেই পারে। সেটা নিয়ে আবার কিছু জানার আছে নাকি? ভবেশদা কিন্তু পিজির মুখের কথা শেষ হওয়ার আগেই বলল,

– হুম, নেটে রিসার্চ করছিলে, ওই জিনিসটা গলিতে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট খেলার মত। তা কি পেলে তোমার রিসার্চে?

পিজি রেগে গেলে কান দুটো লাল হয়ে যায়, এটা আমি বুঝতে পারি। আজকেও সেরকমই একটা ব্যাপার হল,

– আমি নেটে কি পেলাম সেটা বলব পরে, আগে আপনি বলুন আপনি কি জানেন?

– আমি কি জানি? তা ভাল, না খুব বেশি কিছু জানি না এ ব্যাপারে। তবে তুমি খুফুর কোন বোটের কথা বলছ?

– কোন বোট মানে? খুফুর তো একটাই নৌকা..

– উঁহু, একটা না, দুটো।

– দু…দুটো?

– হ্যাঁ ভাই, দুটো বোট তো, তুমি জানো না?

এবারে পিজির ঢোঁক গেলার পালা। ও যখন মাথা চুলকোচ্ছে তখন আমি বললাম,

– আপনারা কি কথা বলছেন আমি কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। খুফুর নৌকার গল্পটা আজকে বলুন না তাহলে।

– না ভাই, আজকে বলার মতো মুড নেই। আসলে সকাল থেকে কেন জানিনা গলাটা শুকিয়ে আছে, ঠান্ডা কিছু একটা পেলে..

আমি বললাম,

– কোন ব্যাপার না, প্যারামাউন্টে চলুন, পিজি আজকে শরবত খাওয়াবে আমাদের? তাই না পিজি?

ও আর কি বলবে? পরাজিত সৈনিকের মতো কাঁধ ঝুলিয়ে চলল আমাদের সাথে।

||

সুরুত করে আওয়াজ করে ডাব শরবতে একটা চুমুক দিয়ে ভবেশদা বলল,

– নৌকার কথা ভাবলেই প্রথমেই কি মাথায় আসে বলত?

– নদী?

– ঠিক, মানুষের মৃত্যুর পরের জীবনের সাথে নদী অদ্ভুত ভাবে জড়িয়ে আছে বুঝলে, আমাদের পুরাণের কথাই ধর না, মারা যাওয়ার পরে বৈতরণী নদী পার করে মৃত আত্মা পৌঁছে যাবে যমের দক্ষিণ দুয়ারে। যেখানে তার পাপ পুণ্যের বিচার হবে। সেই বিচার ঠিক করে দেবে সে স্বর্গে যাবে নাকি নরকে যাবে। আবার গ্রীক পুরাণের স্টাইকস নদীর কথা ধরো। এই নদী বেয়েও মৃত মানুষের আত্মা পৌঁছে যাবে নরকে। যেখানে তার বিচার করবে দেবতা হেইডিস। কিছুর সাথে মিল পাচ্ছ এই গল্পের?

– পাব না আবার? মিশরের পুরাণেও তো মারা যাওয়ার পরে আত্মা যায় মাটির নিচের জগতে, ওসাইরিসের কাছে তার বিচার হয়। আপনিই বলেছিলেন বুক অফ দি ডেডের গল্প।

– বাহ! মনে আছে দেখে খুব ভাল লাগল। মিশরীয়রাও এই বৈতরণী আর স্টাইকস নদীর মতো নীলনদকে মনে করত মৃত্যুর পরের জগতে যাওয়ার রাস্তা। নীলনদেরই পশ্চিম তীরে ছিল অ্যাবিদস নামের একটা জায়গা, যেখানে ছিল ওসাইরিসের মন্দির। তাই ইজিপশিয়ানরা বিশ্বাস করত এই নদী পেরিয়েই আত্মা ওসাইরিসের কাছে পৌঁছবে। কিন্তু বৈতরণী, স্টাইকস আর নীল, এই তিনটে নদীই পেরতে গেলে কি লাগবে বলে মনে হয়?

– কি আবার,নৌকা।

– ঠিক, সেই হিসাবে ফারাও খুফুও যে মারা যাওয়ার পরে একটা নৌকা করেই ওসাইরিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন সেটা হওয়াই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু তাই বলে দু’খানা আস্ত নৌকা যে খুফুর সমাধির সাথে রাখা থাকবে সেটা কেউ কখনো ভাবেনি আগে।

– কিন্তু খুফুর পিরামিড তো একদম ফাঁকা ছিল বলেছিলেন।

– আমি কি বলেছি নাকি যে নৌকাগুলো পিরামিডের মধ্যে রাখা ছিল? চল তোমাদেরকে ৬৪ বছর আগের একটা দিনে নিয়ে যাই।

২৪শে এপ্রিল, ১৯৫৪, গিজার মরুভূমির দক্ষিণে কাজ করছিলেন আর্কিওলজিস্ট মহম্মদ জাকি আর ওঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট গারাস ইয়ানি । অবশ্য জাকির কাজকে আর্কিওলজি না বলে ময়লা পরিষ্কার করা বলা যেতে পারে। সৌদি আরবের রাজা আবদেল আজিজ নাকি গিজার পিরামিড দেখতে আসবেন। তাই পিরামিডের আশেপাশের চলতে থাকা এক্সক্যাভেশনের কাজের জন্য তৈরি হওয়া আবর্জনা সরাবার দায়িত্বে ছিলেন ওরা। কিন্তু এই সব ছাইপাঁশ ঘাঁটতে ঘাঁটতেই ওদের হাতে চলে এল একটা অমূল্য রতন!

অনেকগুলো বিশাল আয়তকার চুনাপাথরের টুকরো। পাশাপাশি গায়ে গায়ে লাগানো আছে। দেখেই মনে হচ্ছে মাটির নিচের কিছু একটার ওপরের ঢাকনার কাজ করছে ওইটা! কয়েকটা পাথরের গায়ে আবার লেখা আছে –

এই সম্পদ তার বাবা খুফুকে অর্পণ করলেন ফারাও জেদেফ্রে!

আরেকটা একটা নতুন আবিষ্কার তাহলে! ব্যাস, সৌদির রাজা আসার চিন্তা পাশে সরিয়ে রেখে দুজনে মিলে লেগে পড়লেন ওই পাথর পরিষ্কার করার কাজে। কাজ শেষ হতে লেগে গেল এক মাস।

২৫শে মে, ১৯৫৪, সেইদিনই পাথরের ওপরের সব ময়লা সরানোর কাজ শেষ হল। এবারে খুলে দেখার অপেক্ষা। কিন্তু সেইদিনই মহম্মদ জাকির কাছে একটা খারাপ খবর এল। ওর ছোট্ট মেয়ে ওয়াফাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সব কাজ ফেলে জাকি ছুটলেন মেয়ের কাছে। দুঃখের খবর এই যে মেয়েকে বাঁচানো গেল না। মহম্মদও আর কাজে ফিরলেন না।

অন্যদিকে গারাস ইয়ানি পরলেন আরেক ফাঁপরে। এক্সক্যাভেশনের কাজ তো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। জাকিকে তো এই অবস্থায় পাওয়া যাবে না। এদিকে কাজ ফেলে রাখলে মরুভূমির ধুলো বালিতে আবার একটু একটু করে পাথর ঢাকা পড়ে যাবে। তাই এক প্রকার বাধ্য হয়েই ইয়ানি খুঁজে বার করলেন আরেকজন আর্কিওলজিস্টকে, কামাল এল মালাখ।

কামাল ইয়ানির সাথে মিলে পাথরের চাঁইয়ের কোনের দিকের একটা ছোট টুকরো ভেঙে ফেললেন। তারপরে নিজের ব্যাগে থাকা দাড়ি কামানোর ছোট আয়নাটা দিয়ে সূর্যের আলো ফেললেন পাথরের নিচের গহবরে। আর সাথে সাথেই চমকে উঠলেন! খুব সামান্য আলোতেই আবছা ভাবে দেখা যাচ্ছে একটা কাঠের তৈরি দাঁড়!! কামালের বুঝতে বাকি রইল না যে এই লম্বা গর্তটা কি ঐশ্বর্য লুকিয়ে রেখেছে! চার হাজার বছর পুরনো একটা নৌকা!

খ্যাতির লোভ মারাত্মক বুঝলে। এই আবিষ্কারের সাথে সাথেই সেই দিন রাতেই কামাল নিউ ইয়র্ক টাইমসকে একটা ইন্টারভিউ দিয়ে দেন। তাতে বলে দেন যে খুফুর নৌকার আবিষ্কর্তা তিনি একাই! মহম্মদ জাকির নাম বেমালুম চেপে গেলেন কামাল। আর যেদিনকে এই মিথ্যে কথাটা বলছেন সেদিনই নিজের মেয়ের কবর দিচ্ছেন জাকি। তবে সত্যিটা কয়েকদিনের মধ্যেই সামনে আসে। কামালকে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়।

যাই হোক। এই ঘটনার কয়েকদিন পর থেকেই ওই গর্ত থেকে বোটটা বার করার কাজ শুরু হয়। তবে নৌকাটার আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। ১,২২৪ টা সিডার কাঠের টুকরো পাওয়া গেল। আর কিছু প্রায় নষ্ট হতে বসা কাপড় আর দড়ি। আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে সেখানে একটাও লোহার পেরেক পাওয়া যায়নি। মিশরীয়রা মাটির নিচ থাকা খনিজ লোহার সন্ধান তখনও পায়নি। যেটুকু লোহা পাওয়া যেত সেটা মাটিতে এসে পড়া উল্কা থেকে। তাই ওদের কাছে লোহা ছিল খুব দুর্লভ আর পবিত্র বস্তু। আকাশ থেকে এসেছে যে! কাঠের খাঁজে কাঠ লাগিয়ে আর জায়গায় জায়গায় দড়ি দিয়ে বেঁধেই নৌকা বানানো হত।

তবে এত বড় একটা আবিষ্কারের পরেও সবার মনে একটা চিন্তা রয়েই গেল। এই বারোশো টুকরোর জিগ-স পাজল জুড়ে আসল নৌকা বানাবে কে? গোটা মিশরে এমন একটাই মাত্র মানুষের সেই ক্ষমতা ছিল। সেই লোকটা যে..

– বুঝেছি বুঝেছি! যে রানী হেতেফেরিসের সমাধির আসবাব পত্রগুলোর রেস্টোরেশন করেছিল তো! কি নাম যেন..

– বাহ! তোমাদের মনে আছে দেখছি! লোকটার নাম আহমেদ ইউসুফ। ওকেই ডেকে আনা হল। প্রথমে বেশ ঘাবড়ে গেলেও পরে আহমেদ এই চ্যালেঞ্জটা নেন। তার পরেই শুরু হয় ওর একটা নতুন জীবন। তিন মাস ধরে কায়রোর নৌকা তৈরির কারখানায় গিয়ে কাজ শেখেন। তার পরে ওই ১,২২৪ টা টুকরোর প্রতিটাকে আলাদা করে মার্ক করে ছোট ছোট নৌকার রেপ্লিকা বানাতে থাকলেন। তারপরে হাত দিলেন আসল কাজে। যে যে টুকরোগুলো নষ্ট হয়ে গেছিল অবিকল সেই মাপের কাঠের টুকরো বানালেন। ২০ বছর ধরে চলল খুফুর নৌকা জোড়া লাগানোর কাজ। একজন রেস্টোরার হয়ে গেলেন একজন বোট বিল্ডার। কাজ যখন শেষ হল তখন সেই বিশাল নৌকা দেখে সবাই অবাক হয়ে গেলেন! প্রায় ৪৫ মিটার লম্বা। দুপাশে সারি দিয়ে রাখা দাঁড়। নৌকার একপ্রান্তে কাপড় দিয়ে মোড়া একটা ছাউনি। নৌকার নিচের দিকের কাঠে আর দাঁড়গুলোতে এমন ক্ষয়ের দাগ স্পষ্ট যা কিনা জল থেকেই হতে পারে।

 

 

– মানে খুফুর নৌকা একসময় নীলনদের জলেও চলেছিল!!

– খুব সম্ভবত তাই। তবে এটাকে ঠিক খুফুর নৌকা বলাটা হয়ত ঠিক হবে না। ছেলে দেজেফ্রে মৃত বাবার উদ্দেশ্যে এই নৌকা দান করেছিলেন। তবে খুফুর নিজের নৌকাও পাওয়া গেছে ১৯৮৭ সালে। সেই গল্পও বেশ মজার।

টোকিওর ওয়াসেদা ইউনিভার্সিটি থেকে আসা জাপানীজ আর্কিওলজির একটা দল আরেকটা চুনাপাথর চাপা দেওয়া প্রায় একই রকম আকারের একটা গর্তের সন্ধান পায়। সেই গর্তটা আবার ১৯৫৪ সালে খুঁজে পাওয়া গর্তটার পাশেই ছিল। তাই ওরা মোটামুটি বুঝেই গেছিলেন যে এখানেও আরেকটা নৌকাই আছে। তবে এবারে আগের বারের থেকেও সাবধানে কাজ শুরু করা হয়। চারহাজার বছরের পুরনো বাতাসে বদ্ধ থাকা নৌকার কাঠের টুকরোগুলো দুম করে বাইরের বাতাসের সংস্পর্শে এসে আরো ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে। তাই আর্কিওজিস্টরা এবারে পাথরের গায়ে খুব ছোট্ট একটা ফুটো ড্রিল করে বানিয়ে সেখানে ঢোকালেন একটা এন্ডোস্কোপ। আর কি দেখতে পেলেন বলত?!

– কি আবার? নৌকা?

– ধুস, ওরা দেখলেন একটা মাছি!

– অ্যাঁ, জ্যান্ত মাছি! অত হাজার বছর ধরে বেঁচে ছিল!

– না রে বাবা, চুনাপাথরের স্ল্যাবটা এক এক জায়গায় ভঙ্গুর হয়ে নিজে থেকেই ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়েছিল। সেই গর্ত দিয়ে ঢুকে ভিতরে মাছি আর পিপড়ে আস্তানা গেঁড়ে ছিল। সম্প্রতি পাথরের স্ল্যাব গুলোকে সরিয়ে ফেলে ভিতরের নৌকার টুকরো গুলোকে তুলে আনা হয়েছে। সেগুলো জোড়া লাগানোর কাজ এখনও চলছে। আর সেই গর্ত থেকেই একটা পাথরে ফারাও খুফুর নাম খোদাই করা পাওয়া গেছে। সম্রাট নিজের সমাধির জন্যই বানিয়েছিলেন এই নৌকাটা।

 

একটানা এতটা বলার পরে এবারে চামচ দিয়ে গ্লাসের ভিতরে থাকা ডাবের শেষ শাঁসের টুকরোটা তুলে মুখে পুরে দিয়ে ভবেশদা পিজির দিকে তাকাল,

তাহলে বুঝলে পিজি ভায়া, এই জন্যই বলেছিলাম খুফুর নৌকা একটা নয়, দুটো। আর এই গল্পটা তুমি ইন্টারনেট খুঁড়ে ফেললেও পেতে না।

– তাহলে আপনি এগুলো জানলেন কি করে?

– বই, বইয়ের বিকল্প কিছু হয় না কি? যাক গে, আজকে খুফুর নৌকার কথা শুনলে, জানলে নৌকা করে মৃতের অন্য জগতে পৌঁছনোর কথা। কিন্তু একটা বাঙালী মেয়ে তার জীবদ্দশাতেই ভেলায় চড়ে এরকম একটা নদী বেয়েই পৌঁছে গিয়েছিল স্বর্গের দ্বারে। কে বলত?

– বাঙালী? মেয়ে? এরকম তো আগে শুনিনি!

– শুনেছ, কিন্তু ভুলে গেছ। মনসামঙ্গল কাব্য হয়ত ভুলে যেতেই পার, কিন্তু সুমনকে ভুললে কি করে?

বলেই ভবেশদা বেসুরো গলায় গেয়ে উঠল,

“ কাল কেউটের ফনায় নাচছে লখিন্দরের স্মৃতি,

বেহুলা কখনও বিধবা হয় না এটা বাংলার রীতি…”

(চলবে)

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

©অনির্বাণ ঘোষ

কভারের ছবি এঁকেছে Soumik Pal

 

————————————————————-

অনেকেই জানতে চাইছেন আমি কি কি বই পড়ে লিখছি, তাদের জন্য-

1. Egypt: Land of the Pharaohs, editor- John L Papaneck

2. Myths and legends of ancient Egypt, Joyce Tyldesley

3. By way of accident, Ahmed M Abul Ella

4. Egypt, how a lost civilization was rediscoverrd, Joyce Tyldesley.

5. Nat Geo History magazine.

Leave a Reply