আনারি_টকিজ : পর্ব ২ : সাউন্ড ডিজাইনিং

আগের দিন ফলি নিয়ে কথা বলেছি, আজকে বলব শব্দের কার্যকারিতা নিয়ে। যে কোনও সিনেমাতেই শব্দ সাধারনত দুটো কাজ করে। তার মধ্যে একটা হল দর্শককে তথ্য জানানো, যাকে সাংবাদিকতার ভাষায় 5W1H […]

আনারি_টকিজ : পর্ব ১ – সাউন্ড ডিজাইন

একটা ভাল সিনেমা কেন ভাল হয়? আমরা কেন একটা সিনেমা বার বার দেখি, আর যত বার দেখি ততবারই নতুন কিছু খুঁজে পাই। সিনেমা মানেই শুধু ভাল অভিনয় বা ভাল সংলাপ […]

আলোর উৎসে – ২ – অনির্বাণ ঘোষ

থিবসের সূর্য ঝলমলে আকাশে আজ খুশির আলো। বাতাসে খুশির গন্ধ। আজ থিবসে ওপেতের উৎসব। রাস্তার দু’পাশে তাই নেমেছে সাধারণ মানুষের ঢল। রাস্তার মাঝখান দিয়ে এক বিশাল শোভাযাত্রা এগিয়ে চলেছে লাক্সারের আমুন-রা’র মন্দিরের দিকে। সেই শোভাযাত্রায় আছেন দেশের সর্বশক্তিমান মানুষটিও। আজ তার জন্যও বড় একটি দিন। আজই তিনি ফারাও হবেন। সূর্য দেবতা আমুন-রা এর শক্তি আজ প্রবাহিত হবে তাঁর আত্মা ‘কা’ এর মধ্যে।

কিন্তু এ কী! এ কী হচ্ছে!! দিনের আলো কমে আসছে কেন? চারদিকে হঠাৎ অন্ধকার নেমে আসছে কেন? তবে কি স্বয়ং আমুন-রা কুপিত হয়েছেন? তাই তাঁর অভিশাপ নেমে আসছে মিশরের বুকে!!

লেখা ~ অনির্বাণ ঘোষ
অলংকরণ ~ শুভম ভট্টাচার্য

ফেরা

নৈহাটি  স্টেশনে নেমে একটা বড় হাই তুললেন বছর ষাটের চিত্তবাবু, একদম ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ট্রেনে। ভাগ্যিস পাশে বসা ছোকরাটা বিকট শব্দে হাঁচল, আর উনি চোখ খুলেই দেখলেন কাঁকিনাড়ার প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে গাড়ি বেরোচ্ছে। নড়ে চড়ে বসে বাঙ্ক থেকে ছোট সু্টকেসটা নামিয়ে জানলার হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে যাওয়া চুলটা ঠিক করতে করতেই নৈহাটি এসে গেল।

লেখক ~ অনির্বাণ ঘোষ

একলা ঘর

আশ্চর্য ব্যাপার! এবারেও কেউ উত্তর দিল না। দীপ কৌতুহলবশত আর একটু এগোতেই দেখতে পেল সামনে ফাঁকা ড্রয়িং রুমে একটা হাল্কা নীলাভ আলো জ্বলছে, আর সেই ঘরেরই শেষ প্রান্তে রাখা একটা বিশাল মিউজিক সিস্টেমে বাজছে সেই গান। সাহস করে ড্রয়িং রুমে ঢুকে দীপ লক্ষ্য করল যে ফ্ল্যাটের মালিক বোধহয় একটু আগেই বাইরে গেছেন।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি

কোড নেম ~ প্রমিথিউস

হঠাৎ ঘটনাগুলো একসূত্রে গাঁথা পড়তে থাকে। এত সঠিক ভবিষ্যৎবাণী, সেই এক নীল চোখ, স্যারের ঘরে থাকা সেই ছবির মুখটা, আর তার সাথে এই অমোঘ আকর্ষণ তার ভবিষ্যতের প্রতি, মানুষের প্রতি। 

লেখক ~ স্পন্দন চৌধুরি

কালান্তর

গাড়ির শব্দে সামনের লোহার বড়ো দরজাটা খুলে যে মানুষটা বেরিয়ে এল, অনায়াসে বলে দেওয়া যায় এই মানুষটাই খেতু। হয়তো বাগানেই ছিল। মুখের ভাবটা মোটামুটি একই আছে। বয়সের প্রভাব পড়েছে শরীরে বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু এ কী অবস্থা হয়েছে চেহারার! কেমন যেন ক্ষয়ে গেছে মনে হচ্ছে, গালগুলোও কেমন বসা! মাথার অবশিষ্ট যতোগুলো চুল আছে সবই সাদা। চশমার ভেতর দিয়েও চোখের ঘোলাটে ভাবটা বোঝা যাচ্ছে।

লেখক ~ দেবায়ন কোলে

মা

নিমাইয়ের দোকান থেকে ৫০ টাকার রসগোল্লা কিনে, সড়াখানা কেঁড়ে আঙুলে ঝুলিয়ে ফিরছিল বঙ্কা। একেই গোটা দশেক বড় রসগোল্লা মানে মহাভোজ, তায় নিমাই আবার বঙ্কাকে ফাউ দেয়।

লেখক ~ দেবপ্রিয় মুখার্জি

সখীরি লাজ বৈরন ভঈ

লেখিকা ~ শিল্পী দত্ত