অর্ধাঙ্গিনী

নীহারিকা কেঁপে উঠে হাতটা শক্ত করে চেপে ধরল, “বিক্রম, আস্তে….!” ঘরের কোণে জ্বলতে থাকা দুটো লাল মোমবাতির স্নিগ্ধ আলো এই মুহূর্তকে যেন আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। বিক্রম ছাড়িয়ে নিল ওর হাত, টেনে নিল নীহারিকার মোহময়ী শরীরটাকে নিজের আরও কাছে, পিঠে পড়ল আদরের দাগ, ওষ্ঠ অধরের এক নৈসর্গিক খেলায় মেতে উঠল দুটো শরীর।

সাতরঙা

ওই দৃশ্য দেখে কাকিমা নিজেকে ঠিক রাখতে পারেননি, কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে ঘর থেকে চলে গিয়েছিলেন,কয়েক মাসের মধ্যেই কাকিমা সুইসাইড করেন।

লেখক ~ ছন্দক চক্রবর্তী

অন্য এক দোলগাথা

ওই দেকো, ওদিকপানে একবার চেয়ে। মুখে বাঁশি, মাথায় পালক, হলুদ ধুতি পরনে কেমন মিটিমিটি হাসে আমার পানে চেয়ে। রাধারাণী কি বলচে যেন কানের কাছে মাতা ন্যে এসে। মনটা অস্থির হয়ে আছে কদিন থেয়ে।

লেখক ~ পার্থ ঘোষ

অপেক্ষা

সে আর দেরি না করে প্যাকেটটা বার করে। একমাত্র সেই জানে, যে দোতলার জানালাটা এখন খোলা থাকে। বাড়ির আর অন্য জানালাগুলো শক্ত করে আঁটা থাকলেও এই জানালাটা কোন এক অজানা মন্ত্রবলে খুলে যায় এই দিনটাতেই। নাহ, ঘরে কোনও আলো জ্বলছে না। জানালাটার দুটো পাল্লাই হাট করে খোলা।

লেখক ~ স্পন্দন চৌধুরি

সরষেক্ষেত ও খৈনি

যাই হোক রডে পোজিশন লে লিয়া। তরুণ কুমারের মত বডি আর উত্তম কুমারের অ্যাটিচ্যুড নিয়ে পকেটে হাত বুলালাম। বিড়ির তাড়াটা মিসিং। ধ্যার্বাল! ঝনঝন্ করে হৃদয়ের গুঁড়ো ঝরে পড়তে লাগল। উড়ে যেতে লাগল বাইরে রানিং গাছপালা, ল্যাম্পপোস্টের গায়ে।

লেখা ~ দেবপ্রিয় মুখার্জি

লাভ ইউ রোহিতা

কিন্তু সবথেকে যা পারে , তা হলো নাকে নথ লাগিয়ে সিঁদুর পরে সম্বন্ধ করতে। যা চিংড়ি পারেনা পোকা বলে। তাত্ত্বিকের তত্ব কিন্তু বিয়ের আয়োজনের তত্বে চুপ করে থাকে। ডালায় সে সেজে ওঠে সুন্দরী হয়ে। আর রাজ্ করে লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে।

ইকবাল

আমাদের ছাদের পাঁচিল, বারান্দার পাঁচিল সবই এত উঁচু যে বাইরে থেকে কিছু দেখা যায়না। গায়ে লাগা বাড়িগুলোয় জানালা দিয়ে মা কাকিমাদের কথা হলেও রাস্তায় বেরিয়ে আড্ডা গল্পের চল নেই একদম। ব্যতিক্রম রাসুদিদা। রাসুদিদা সারাটাদিন একতলার রোয়াকে বসে পথচলতি মানুষের খবর নেন।

বাঁদরনাচ

এ রামোঃ! পুঁটলি কোথায়? এ তো একটা বাঁদর! ওই তো, আরেকটা বাদামীর ওপর হলুদ চকরাবকরা পুঁটলিও নড়ছে। দুটো বাঁদর, মানে একটা বাঁদর আর আরেকটা বাঁদরী। অন্তত ওদের বেশভূষা তাই বলছে।

লেখিকা ~ সুস্মিতা কুণ্ডু