ডেঙ্গু রুখতে জিনের ছুরি

দুঃখের বিষয় এই যে এত কিছুর পরেও এইডিশ মশাদের বাগে আনা যায়নি। ওরা বেশ ধুরন্ধর, বার বার নিজেদের বদলেছে, বাজার চলতি মশা মারার ওষুধের বিরূদ্ধে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিটা দিনের সাথে রক্তবীজের মতো বাড়ছে এদের বংশ।

তাহলে উপায়?

লেখা ~ অনির্বাণ ঘোষ

দুধের বোতল

© প্রদীপ্ত ঘোষ

অন্তিম যাত্রা

সিনেমা ভালো লাগবে না মন্দ লাগবে সেটা যেমন ছবির ধারাপ্রবাহের ওপর নির্ভর করে, ঠিক সেরম ভাবেই নির্ভর করে সেই ছবির থেকে আপনার নিজের কি এক্সপেক্টেশান। বুঝিয়ে বলি, আপনি সিনেমা হলে স্টুডেন্ট অফ দ্যা ইয়ার দেখতে গেলেন এই আশা নিয়ে যে এখানে একটা ছাত্র প্রচুর পড়াশোনা করে ব্ল্যাক হোল নিয়ে একটা দারুন থিসিস দিয়ে, প্রচুর প্রাইজ ফ্রাইজ পেয়ে একদম একাকার করে দেবে; তারপর গিয়ে দেখলেন অমুক অভিনেতা আর অভিনেত্রী বুট ডুবে যাওয়া বরফের মধ্যে টি শার্ট আর চিকনের কুর্তি পরে নাচছে। আপনি আশাহত হবেনই। কিন্তু যদি উল্টোটা হয় তাহলে একটা শক লাগার মতো ব্যাপার হবে। সব শেষে কি দেখলাম না দেখলাম এসব গুলিয়ে গিয়ে নিজেকে ভালোটা বোঝাতে চেষ্টা করবেন, আপনই জিতবেন।

অর্ধাঙ্গিনী

নীহারিকা কেঁপে উঠে হাতটা শক্ত করে চেপে ধরল, “বিক্রম, আস্তে….!” ঘরের কোণে জ্বলতে থাকা দুটো লাল মোমবাতির স্নিগ্ধ আলো এই মুহূর্তকে যেন আরও রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। বিক্রম ছাড়িয়ে নিল ওর হাত, টেনে নিল নীহারিকার মোহময়ী শরীরটাকে নিজের আরও কাছে, পিঠে পড়ল আদরের দাগ, ওষ্ঠ অধরের এক নৈসর্গিক খেলায় মেতে উঠল দুটো শরীর।

স্কুলের পোশাকে ছবি

বাচ্চাকে যত ভালো স্কুলেই পড়ান না কেন, সে কোন স্কুলে যাচ্ছে, সেই তথ্য দেবেন না ফেসবুকে। স্কুলড্রেস পরা ছবি থেকেও খুব সহজেই কোন স্কুল জানা যায়। সেইরকম ছবি দেবেন না ফেসবুকে বা ইন্সটাগ্রামে।

লেখিকা ~ ঋতুপর্ণা চক্রবর্তী

স্ক্যালপেল-৬ / স্তন নিয়ে দু চার কথা

সার্জারির ডাক্তারবাবুকে তারপরে কাজের কথায় আসতেই হল। বুকে জল জমল কেন? কি করে বোঝা গেল জল জমেছে? কাকিমা বললেন কদিন ধরে শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল খুব, সেখান থেকেই বুকের এক্সরে করা, তাতেই ধরা পড়ল।

লেখক ~ অনির্বাণ ঘোষ
#AnariMinds

অন্য এক দোলগাথা

ওই দেকো, ওদিকপানে একবার চেয়ে। মুখে বাঁশি, মাথায় পালক, হলুদ ধুতি পরনে কেমন মিটিমিটি হাসে আমার পানে চেয়ে। রাধারাণী কি বলচে যেন কানের কাছে মাতা ন্যে এসে। মনটা অস্থির হয়ে আছে কদিন থেয়ে।

লেখক ~ পার্থ ঘোষ

অপেক্ষা

সে আর দেরি না করে প্যাকেটটা বার করে। একমাত্র সেই জানে, যে দোতলার জানালাটা এখন খোলা থাকে। বাড়ির আর অন্য জানালাগুলো শক্ত করে আঁটা থাকলেও এই জানালাটা কোন এক অজানা মন্ত্রবলে খুলে যায় এই দিনটাতেই। নাহ, ঘরে কোনও আলো জ্বলছে না। জানালাটার দুটো পাল্লাই হাট করে খোলা।

লেখক ~ স্পন্দন চৌধুরি

পাঠকের চোখে – দ্য ফলেন (The Fallen)

বই ~ #দ্য_ফলেন (The Fallen)
লেখক ~ #ডেভিড_বলডাচি (David Baldacci)
সিরিজ ~ অ্যামোস ডেকার থ্রিলার
প্রকাশক ~ Pan Books
প্রথম প্রকাশ ~ ২০১৮ (ইংল্যন্ড)
পৃষ্ঠা সংখ্যা ~ ৫৯০
মুদ্রিত মূল্য ~ ৭.৯৯ পাউন্ড (আনুমানিক ৭৩০ টাকা)