হায়রোগ্লিফের দেশে- ১১/ ঈশ্বরের লিপির রহস্য (দ্বিতীয় পর্ব)

এক নম্বর, হায়রোগ্লিফে কোন অ্যালফাবেট নেই, মানে এ বি সি ডি বা অ আ ক খ বলে ওদের কিছু ছিল না। এই প্রত্যেকটা চিহ্ন আসলে এক একটা উচ্চারণকে বোঝায়। মানে এগুলো ফোনেটিক। যেমন প্যাঁচাটা হল ‘ম’ উচ্চারণের জন্য, যেমন টা হয় আম, মা এই শব্দ গুলোতে। বাংলার ম বা ইংরাজীর এম অক্ষরের জন্য নয়।

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ

হায়রোগ্লিফের দেশে-১০ / ঈশ্বরের লিপির রহস্য ( প্রথম পর্ব)

জঁ ফ্রাঁসোয়া শাম্পোলিয়নের জন্ম হয়েছিল ১৭৯০ সালে, ফ্রান্সের ছোট্ট শহর ফিজেকে, বেশ গরীবের ঘরে। ওর বাবা ঘুরে ঘুরে বই বিক্রি করতেন। দশ বছর বয়স থেকে ও ওর দাদার কাছে গ্রেনোবেল শহরে থাকতে শুরু করে। ছোটবেলা থেকেই ভীষণ গোঁয়ার ছিলেন এই শাম্পোলিয়ন। অঙ্ক, বিজ্ঞান ওর ভাল লাগত না। কিন্তু নতুন নতুন ভাষা শেখার ব্যাপারে ছিল প্রচন্ড আগ্রহ। মাত্র ১১ বছর বয়সেই ও ল্যাতিন, গ্রীক, আরবিক, হিব্রু আর সিরিয়াক ভাষায় লিখতে পড়তে পারতেন ইনি। গ্রেনোবেল শহরেই ওঁর হাতে আসে একটা ছোট প্যাপিরাসের টুকরো। নতুন দেখা একটা লিপির মানে বোঝার জন্য এবারে উঠে পড়ে লাগে শাম্পোলিয়ন। সেই শুরু, এর পরে প্রায় গোটা জীবনটাই কেটে যায় হায়রোগ্লিফের মানে উদ্ধারের নেশায়।

@অনির্বাণ ঘোষ

হায়রোগ্লিফের দেশে- ৯ / রোসেটার পাথর

আপনি হায়রোগ্লিফ পড়তে পারেন?

– হুঁ, খুব সামান্য। হায়রোগ্লিফ পড়া কি অত সহজ হে পিজি ভাই। এর রহস্য উদ্ধার করার জন্য কত মানুষ কত রাত জেগেছে জানো?

– হ্যাঁ, শুনেছিলাম খুব কঠিন ভাষা নাকি এটা।

– হ্যাঁ, সত্যি খুব কঠিন। সে কথায় পরে আসছি। আগে যে লোকটার জন্য শুধু হায়রোগ্লিফ না, গোটা মিশর দেশটাকেই পৃথিবীর মানুষ চিনল তার কথা বলি। কয়েকটা হিন্টস দি তোমাদেরকে, দেখি পার কি না,

লোকটার হাইট ৫ফুট ৭ ইঞ্চি, যুদ্ধবাজ, প্রায় গোটা ইউরোপ দখল করে ফেলেছিলেন, কিন্তু বিড়ালকে ভয় পেতেন, সত্যজিত রায় যে লিজঁ দি অঁর পেয়েছিলেন সেটা ইনি চালু করেছিলেন।

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ

হায়রোগ্লিফের দেশে- ৮ / খুফুর নৌকা

২৪শে এপ্রিল, ১৯৫৪, গিজার মরুভূমির দক্ষিণে কাজ করছিলেন আর্কিওলজিস্ট মহম্মদ জাকি আর ওঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট গারাস ইয়ানি । অবশ্য জাকির কাজকে আর্কিওলজি না বলে ময়লা পরিষ্কার করা বলা যেতে পারে। সৌদি আরবের রাজা আবদেল আজিজ নাকি গিজার পিরামিড দেখতে আসবেন। তাই পিরামিডের আশেপাশের চলতে থাকা এক্সক্যাভেশনের কাজের জন্য তৈরি হওয়া আবর্জনা সরাবার দায়িত্বে ছিলেন ওরা। কিন্তু এই সব ছাইপাঁশ ঘাঁটতে ঘাঁটতেই ওদের হাতে চলে এল একটা অমূল্য রতন!

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ

হায়রোগ্লিফের_দেশে- ৭ স্ফিংস!

আমাদের কোলকাতা মিউজিয়ামেই তো স্ফিংস রাখা আছে তাই না?

– হ্যাঁ আছে তো। মমির ঘরটাতে ঢোকার মুখেই রাখা আছে একটা পাথরের মাঝারী স্ফিংস। তবে মিউজিয়াম ছাড়াও কোলকাতার আরেকটা জায়গাতে স্ফিংস রাখা আছে, একটা নয় আবার, একজোড়া। কোথায় বলতো? হালের ইকোপার্কের স্ফিংসটা বাদ দিয়ে বলো।

– কোলকাতাতে আরো দুটো স্ফিংস? কোথায়? জানিনা তো!

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ
#AnariMinds #ThinkRoastEat

হায়রোগ্লিফের দেশে- ৬ হেতেফেরিসের রহস্য!!

১৯২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটা ভোরবেলা। অন্য বাকি দিন গুলোর মতোই আবদৌ আজও পৌঁছে গেছে সাইটে। খুফুর পিরামিডের পূর্বদিকে একটা উঁচু জায়গা দেখে ট্রাইপড বসাতে গেল। কিন্তু কি অদ্ভুত! খরখরে বালির মধ্যেও ট্রাইপডটা স্লিপ করে গেল! ভাগ্যিস ক্যামেরার স্ট্র‍্যাপটা গলা দিয়ে ঝোলানো ছিল!

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ
#AnariMinds #ThinkRoastEat

হায়রোগ্লিফের দেশে- ৫ গ্রেট পিরামিড!!

হ্যাঁ, বললাম না, প্রাচীন পৃথিবীর সাতটা আশ্চর্যের একটা হল গ্রেট পিরামিড। এত পুরনো একটা জিনিস আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। আরবীতে একটা প্রবাদ আছে জানো? মানুষ সময়কে ভয় পায়, আর সময় ভয় পায় পিরামিডকে। এখন একে যে অবস্থায় দেখ তার চেয়ে অনেক সুন্দর ছিল কয়েকহাজার বছর আগেও। গোটা পিরামিডটার গা মোড়ানো ছিল ঝকঝকে সাদা পাথর দিয়ে।

লেখক- অনির্বাণ ঘোষ
#AnariMinds #ThinkRoastEat

হায়রোগ্লিফের দেশে – ৪ – মমির গল্প ( দ্বিতীয় পর্ব)

ছয় সপ্তাহ ধরে গ্রেনভিল একটু একটু করে মমির গায়ের কাপড়ের প্যাঁচ খুললেন। কাপড়ের ভাঁজের মধ্যে পাওয়া গেল কয়েকটা নীলচে কাঁচের ছোট ছোট গুলি আর গমের দানা। পুরোটা খুলে ফেলার পরে বোঝা গেল সেটি এক নারীর। শরীরটা শুকিয়ে এলেও পেটের চামড়া থেকে বোঝা যায় জীবদ্দশায় ইনি বেশ মোটা সোটা ছিলেন। মমির গোটা শরীরে লাগানো ছিল মোম আর বিটুমেনের মিশ্রন। গ্রেনভিল ভেবেছিলেন এই দিয়েই সংরক্ষন করা হয়েছিল এই মহিলাকে।

হায়রোগ্লিফের দেশে – ৩ – মমির গল্প

…এতো কিছুই নয়, মমি খাওয়ার কথা কখনও ভাবতে পারো?
কথাটা শুনেই আমার গা গুলিয়ে উঠল। পিজিও দেখলাম একবার ওয়াক করল। মমি আবার খাবে? ভবেশদা আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে একবার হাসল এবারে, তারপরে ব…