সরষেক্ষেত ও খৈনি

যাই হোক রডে পোজিশন লে লিয়া। তরুণ কুমারের মত বডি আর উত্তম কুমারের অ্যাটিচ্যুড নিয়ে পকেটে হাত বুলালাম। বিড়ির তাড়াটা মিসিং। ধ্যার্বাল! ঝনঝন্ করে হৃদয়ের গুঁড়ো ঝরে পড়তে লাগল। উড়ে যেতে লাগল বাইরে রানিং গাছপালা, ল্যাম্পপোস্টের গায়ে।

লেখা ~ দেবপ্রিয় মুখার্জি

লাভ ইউ রোহিতা

কিন্তু সবথেকে যা পারে , তা হলো নাকে নথ লাগিয়ে সিঁদুর পরে সম্বন্ধ করতে। যা চিংড়ি পারেনা পোকা বলে। তাত্ত্বিকের তত্ব কিন্তু বিয়ের আয়োজনের তত্বে চুপ করে থাকে। ডালায় সে সেজে ওঠে সুন্দরী হয়ে। আর রাজ্ করে লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে।

ষোলো আনা চাই তোকে

কথার তুফান টেবিল কাপে, ছলকে পড়ুক গরম চা।
যন্ত্রণাতে চুমুক লাগাই! শোকের আগুন তফাৎ যা।
#কবিতার_খাতা #আনারিমাইন্ডস

প্রেমপত্র

মিথ্যে বলব না, নিদারুণ হিংসে হয়েছিল শানের উপর। কিন্তু কি করা যাবে তুমি যে আমার অধরা মাধুরী দুলতে চলেছ অন্যের বাগানে!

ঝগড়া

ওর নিশ্বাসের ফোঁস ফোঁস শব্দ আমার কানে বাজে। সব সময় ওর কথা মনে পড়ে। ওর চোখ দুটো, মুখটা … আমাকে ছাড়া কিছুই যেন জানেনা বেচারা…

শীতের সকাল

মাঝে মাঝে ভুলে যাই যে আমি আর কচি খোকা নই। ভূমিকা উপসংহারের বেড়াজালে শীতের সকাল, গ্রীষ্মের দুপুর বা বর্ষনমুখর রাত্রিকে আর বেঁধে রাখতে পারি না। বারো নম্বরের রচনায় শূণ্য পেলেও খুশি, কিন্তু শীতকালকে নতুন ভাবে চিনেছি অনেক বছর ধরে, তাই আজ একটা ট্রাই নিচ্ছি ছোটবেলার সেই রচনাটাকে একটু “আনাড়ি” স্টাইলে লিখতে।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds

ফুলঝুরি

সন্ধেবেলা অন্ধকার ঘনিয়ে আসতেই আমাদের ছাদে হল প্রথম টেস্টিং। আশেপাশের ছাদে পানতুবড়ির ভুসসস করে আওয়াজ শুনে ঘাড় ঘোরাতে গিয়েই দেখছি ছাদ অন্ধকার, মানে তুবড়ি খতম। পাঁচিলে বসিয়ে তিনবন্ধু একটাই ফুলঝুরিকে ধরিয়ে শুভ উদ্বোধন করলাম আমাদের স্বরচিত প্রথম তুবড়ির।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds

প্রবাসী বাঙালির রোজনামচা

লোকজনকে গালি দেওয়া হেব্বি সহজ জানেন তো দাদা, খালি নিজের ওপরে যে যখন পড়ে, তখনই ফেটে চৌচির হয় আর কি….তো এরকমই ফাটা চৌচির দিল কে টুকরো সে নিকলা চান্দ্ আলফাজ…

লেখক ~ ছন্দক চক্রবর্তী
#AnariMinds