এই মদ যদি না শেষ হয়

আপনি কি মাতাল? নাকি মদ টা ভালবেসে খান?? নাকি জাস্ট খাওয়ার জন্য খান? আমি বলে দিচ্ছি…  ধরুন আপনি এই লেভেল এর ল্যাধখোর যে বিয়েবাড়ি থেকে মেনু কার্ড ও নিয়ে আসেন যাতে বাড়ি এসে “কি খেলি কি খেলি” করে সবাই যখন মাথা টা খায়, আপনি ওই নিষ্পাপ কাগজ টা তুলে দিয়ে শান্তিলাভ করেন।

লেখক ~ ছন্দক চক্রবর্তী
#AnariMinds #ThinkRoastEat

শুক_বলে_ওগো_”শাড়ি”

না না, এটাই এই শাড়ির ইউ এস পি। এর যে আঁচল টা দেখছেন সেটা জামদানী ধাঁচের, আর পাড় টা পিওর বেনারসি, বডি পুরো হাইব্রিড।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds #ThinkRoastEat

ভূত আমার পূত – গল্প ৫ – লন্ডনে গণ্ডগোল (শেষ পর্ব)

দিনক্ষণ ঠিক করে পৌঁছে গেলাম। রাত তখন ১ টা। ২৩ তলা বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে মনে হল গোটা শহর আমাকে হাত বাড়িয়ে নিষেধ করছে। কিন্তু তখন আমি মনস্থির করে ফেলেছি, আর ফিরব না। শীতে কাঁপতে কাঁপতে এগোলাম ছাদের পাঁচিলের দিকে ধীরে ধীরে।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds #ThinkRoastEat

ভূত আমার পূত – গল্প ৫ – লন্ডনে গণ্ডগোল

দেখাশোনা, এগ্রিমেন্ট, ডিপোজিট এইসবের শেষে এক শনিবার বিকেলে লটবহর নিয়ে হাজির হলাম আমার নতুন বাসস্থানের সামনে। পাক্কা ব্রিটিশ ধাঁচে তৈরি পুরনো আমলের দোতলা বাড়ি, দেখেই মনে হয় কয়েকবছর আগে রিমডেলিং করা হয়েছে।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds #ThinkRoastEat

নহি যন্ত্র আমি প্রাণী, শোনো IT-র এ কাহানী

পাতি বাংলায় আমাদের একটা নাম আছে জানেন তো? আই টি ভাইটি বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার না বলে আমাদের অনেকে ভালোবেসে “সফো” বলে ডাকেন, খুব মিষ্টি একটা নাম না! ভুলেও এই মিষ্টতার ফাঁদে পা দেবেন না, এরা কেউই আর মানুষ নেই, সবাই এক একটা যন্ত্রে পরিণত।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds #ThinkRoastEat

রাজায় রাজায় যুদ্ধ – ১ – মৃত্যুর একদিন আগে

স্যান্ডি এসে শুয়ে পড়ল আবার দৈত্যের পাশে। ফিউজ থেকে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। অদ্ভুত এক অনুভূতি আসছে মনে। যতই মন শক্ত থাকুক না কেন, খালি মনে হচ্ছে একটু বাদেই প্রচন্ড বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠবে চারিদিক, দুজনের দেহ ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে ছড়িয়ে পড়বে চারিদিকে, কালকের সকাল আর দেখা হবে না।

লেখক ~ অরিজিৎ গাঙ্গুলি
#AnariMinds #ThinkRoastEat

হায়রোগ্লিফের দেশে – ৪ – মমির গল্প ( দ্বিতীয় পর্ব)

ছয় সপ্তাহ ধরে গ্রেনভিল একটু একটু করে মমির গায়ের কাপড়ের প্যাঁচ খুললেন। কাপড়ের ভাঁজের মধ্যে পাওয়া গেল কয়েকটা নীলচে কাঁচের ছোট ছোট গুলি আর গমের দানা। পুরোটা খুলে ফেলার পরে বোঝা গেল সেটি এক নারীর। শরীরটা শুকিয়ে এলেও পেটের চামড়া থেকে বোঝা যায় জীবদ্দশায় ইনি বেশ মোটা সোটা ছিলেন। মমির গোটা শরীরে লাগানো ছিল মোম আর বিটুমেনের মিশ্রন। গ্রেনভিল ভেবেছিলেন এই দিয়েই সংরক্ষন করা হয়েছিল এই মহিলাকে।

হিস্ট্রির মিস্ট্রি-১৫ ভালোবাসার মৃত্যুরা

সব হারিয়েছে ওফেলিয়া, আজ ও বীতশোক। পরিস্থিতির আঘাতে ওর মস্তিষ্কেও জট পাকিয়েছে যে। সেখানে ভূত,ভবিষ্যত, বর্তমান… কিচ্ছু নেই। ওফেলিয়া উন্মাদ হয়ে গেছে। ওর আত্মাটা আর নেই যেন ওর শরীরে। তাই ছোট নদীটায় যখন ও আজকে পরে গেল তখন আর উঠে আসার কোন চেষ্টা ছিল না। চারপাশে নুয়ে থাকা রঙিন ফুলগুলোও টানেনি আজ ওকে।

হায়রোগ্লিফের দেশে – ৩ – মমির গল্প

…এতো কিছুই নয়, মমি খাওয়ার কথা কখনও ভাবতে পারো?
কথাটা শুনেই আমার গা গুলিয়ে উঠল। পিজিও দেখলাম একবার ওয়াক করল। মমি আবার খাবে? ভবেশদা আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে একবার হাসল এবারে, তারপরে ব…